জামিয়া নেছারিয়া ইসলামিয়া মাদরাসা ও এতিমখানা - Jamia Nesaria Islamia Madrasha & Orphanage
সর্বশেষ বিজ্ঞপ্তি :
❖নতুন শিক্ষাবর্ষে নূরানী মক্তব, হিফজুল কুরআন ও কিতাব বিভাগে সীমিত আসনে ছাত্র ভর্তি চলছে।❖৩১৩ জন বদরি কাফেলা — আজীবন দাতা সদস্য প্রকল্পে শরিক হয়ে সাদাকায়ে জারিয়ার অংশীদার হোন।❖সমাজসেবা অনুমোদিত এতিমখানা শাখায় এতিম ও দরিদ্র ছাত্রদের শতভাগ ফ্রি পড়ার সুব্যবস্থা রয়েছে।
জামিয়া পরিচিতি — পূর্ণাঙ্গ প্রাতিষ্ঠানিক বিবরণী
← হোমপেজে ফিরে যান
জামিয়া নেছারিয়া ইসলামিয়া মাদরাসা ও এতিমখানা

জামিয়া পরিচিতি

জামিয়া নেছারিয়া ইসলামিয়া মাদরাসা ও এতিমখানা

প্রতিষ্ঠিত: ১৯৬৯ খ্রিষ্টাব্দ | ১৩৭৬ বাংলা | ১৩৮৮ হিজরি

ঠিকানা: মরকুন, তিস্তা গেট–আনোয়ার সিল্ক মিলস সংলগ্ন, টঙ্গী, গাজীপুর, বাংলাদেশ।

আল-হাইআতুল উলয়া নিবন্ধন: ০০৬৮৫বেফাক নিবন্ধন: ১/৭৪৩এতিমখানা নিবন্ধন (সমাজসেবা অধিদপ্তর): ঢ-০৫০৪

১. জামিয়ার পরিচয়

ভূমিকা

ভূমিকা

শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড। শিক্ষা মানুষকে অজ্ঞতার অন্ধকার থেকে আলোর পথে পরিচালিত করে। একটি আদর্শ সমাজ ও নৈতিকতাসম্পন্ন জাতি গঠনে শিক্ষার ভূমিকা অপরিসীম। আর প্রকৃত মানুষ গড়ার ক্ষেত্রে কুরআন-সুন্নাহভিত্তিক আদর্শ ইসলামী শিক্ষার গুরুত্ব অনস্বীকার্য।

উপমহাদেশে ইসলামী শিক্ষা, ঐতিহ্য ও মূল্যবোধ সংরক্ষণে দারুল উলুম দেওবন্দ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। এ শিক্ষাধারা থেকে অসংখ্য আলেম, মুহাদ্দিস, মুফাসসির ও দ্বীনের নিবেদিতপ্রাণ খাদেম তৈরি হয়েছেন।

জামিয়া নেছারিয়া ইসলামিয়া মাদরাসা ও এতিমখানা কওমি মাদরাসার ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি শিক্ষাধারার আদর্শ ও চেতনাকে ধারণ করে পরিচালিত একটি দ্বীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে দ্বীনি শিক্ষার প্রসার, ইসলামী আদর্শের চর্চা এবং শিক্ষার্থীদের ইলম, আমল ও উন্নত আখলাকে সমৃদ্ধ করে গড়ে তোলার প্রত্যয় নিয়ে প্রতিষ্ঠানটি এগিয়ে চলেছে।

জামিয়ার মূল লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীদের বিশুদ্ধ আকিদা, সহিহ আমল, উত্তম চরিত্র, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধে সমৃদ্ধ করে গড়ে তোলা; যেন তারা দ্বীনের খেদমত, সমাজের কল্যাণ এবং মানবতার সেবায় অবদান রাখতে পারে।

২. প্রতিষ্ঠাকাল ও ইতিহাস

খ্রিষ্টাব্দ সন১৯৬৯ খ্রিষ্টাব্দ
বাংলা সন১৩৭৬ বাংলা
হিজরি সন১৩৮৮ হিজরি

জামিয়া নেছারিয়া ইসলামিয়া মাদরাসা ও এতিমখানা ১৯৬৯ খ্রিষ্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত হয়। বাংলা সন ১৩৭৬ এবং হিজরি সন ১৩৮৮ প্রতিষ্ঠাকালীন তথ্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

দ্বীনি শিক্ষার প্রসার ও ইসলামী আদর্শে শিক্ষিত প্রজন্ম গড়ে তোলার লক্ষ্যে গাজীপুর জেলার টঙ্গীর মরকুন এলাকায় এ প্রতিষ্ঠানের যাত্রা শুরু হয়।

প্রতিষ্ঠানের ইতিহাসের সঙ্গে জমি দান, প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ এবং প্রাথমিক পর্যায়ের সহযোগিতার গুরুত্বপূর্ণ স্মৃতি জড়িয়ে রয়েছে। সময়ের ধারাবাহিকতায় জামিয়া তার শিক্ষা কার্যক্রম ও প্রাতিষ্ঠানিক অগ্রযাত্রা অব্যাহত রেখেছে।

জামিয়ার ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং প্রতিষ্ঠার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিবর্গের অবদান সংরক্ষণ করা এ প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। তাঁদের ত্যাগ, শ্রম ও সহযোগিতার স্মৃতি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার প্রত্যয় রয়েছে।

৩. প্রতিষ্ঠাতা ও জমিদাতাদের অবদান

০1শ্রদ্ধেয় জমিদাতা

মরহুম চান মিয়া সাহেব

সর্বপ্রথম জমিদাতা ও প্রতিষ্ঠাতা উদ্যোক্তা

০2শ্রদ্ধেয় জমিদাতা

আমিনা খাতুন

সম্মানিত জমিদাতা

০3শ্রদ্ধেয় জমিদাতা

সফর বানু

সম্মানিত জমিদাতা

জামিয়ার প্রতিষ্ঠার ইতিহাসে মরহুম চান মিয়া সাহেব, আমিনা খাতুন ও সফর বানুর নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

প্রাপ্ত ঐতিহাসিক বিবরণ অনুযায়ী, মরহুম চান মিয়া সাহেব সর্বপ্রথম দ্বীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠার জন্য জমি দান করেন। পরবর্তীতে আমিনা খাতুন ও সফর বানুও জমি দান করেন। তাঁদের এই অবদান প্রতিষ্ঠানের যাত্রা শুরুতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

জমিদাতা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের এই ত্যাগ ও অবদান শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণীয়। তাঁদের অবদানের যথাযথ সংরক্ষণ এবং পরবর্তী প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা জামিয়ার ইতিহাস ও ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

৪. জামিয়ার অবস্থান ও পরিবেশ

জামিয়া নেছারিয়া ইসলামিয়া মাদরাসা ও এতিমখানা বাংলাদেশের গাজীপুর জেলার টঙ্গী থানাধীন মরকুন এলাকায় অবস্থিত।

প্রাপ্ত বিবরণ অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটি তিস্তা গেট–আনোয়ার সিল্ক মিলস সংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত। টঙ্গী রেলওয়ে স্টেশন ও চেরাগ আলী এলাকার দিকনির্দেশনাও প্রতিষ্ঠানের অবস্থান শনাক্ত করতে সহায়ক।

শিক্ষার্থীদের পাঠদান, দ্বীনি জ্ঞানচর্চা এবং প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য জামিয়ার শিক্ষা ও আবাসন-ব্যবস্থা রয়েছে।

প্রতিষ্ঠানের ক্যাম্পাস, শ্রেণিকক্ষ, আবাসন এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার ছবি ও বিস্তারিত বিবরণ এ পৃষ্ঠায় যুক্ত করা হবে, যাতে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও দর্শনার্থীরা জামিয়া সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা লাভ করতে পারেন।

৫. জামিয়ার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য

মূল লক্ষ্য

আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি অর্জন এবং দ্বীনের খেদমতে যোগ্য মানুষ গড়ে তোলাই জামিয়ার শিক্ষা কার্যক্রমের মূল লক্ষ্য।

জামিয়ার প্রধান লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যসমূহ হলো—

১. পবিত্র কুরআন ও সুন্নাহভিত্তিক দ্বীনি শিক্ষা প্রদান।
২. শিক্ষার্থীদের বিশুদ্ধ আকিদা, সহিহ আমল ও ইসলামী জীবনবিধানের শিক্ষা দেওয়া।
৩. ইলম, আমল, আদব ও আখলাকের সমন্বয়ে শিক্ষার্থীদের জীবন গঠন করা।
৪. যোগ্য আলেম, দ্বীনের দাঈ এবং ইসলামের আদর্শে নিবেদিতপ্রাণ মানুষ তৈরি করা।
৫. সমকালীন বিভিন্ন প্রশ্ন ও চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে প্রয়োজনীয় জ্ঞান অর্জনে শিক্ষার্থীদের সহায়তা করা।
৬. শিক্ষার্থীদের লেখনী, বক্তব্য, বক্তৃতা ও দাওয়াতি দক্ষতা বিকাশে সহযোগিতা করা।
৭. এতিম ও অসহায় শিক্ষার্থীদের শিক্ষা ও প্রতিপালনের মাধ্যমে তাদের সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে ভূমিকা রাখা।
৮. ইসলামী মূল্যবোধ, নৈতিকতা ও মানবিক গুণাবলির বিকাশ ঘটানো।
৯. সমাজ ও মানবতার কল্যাণে অবদান রাখার মানসিকতা তৈরি করা।

৬. জামিয়ার আদর্শ ও শিক্ষাদর্শন

জামিয়ার শিক্ষাদর্শনের মূল ভিত্তি হলো কুরআন-সুন্নাহর অনুসরণ, দ্বীনি জ্ঞানের চর্চা, উত্তম চরিত্র এবং বাস্তব জীবনে ইসলামী মূল্যবোধের প্রতিফলন।

শিক্ষার্থীদের শুধু পাঠ্যবিষয়ে জ্ঞান অর্জন করানোই নয়; বরং অর্জিত জ্ঞান অনুযায়ী আমল করা, শিক্ষক ও অভিভাবকদের সম্মান করা, শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং মানুষের সঙ্গে উত্তম আচরণ করার প্রতিও গুরুত্ব দেওয়া হয়।

জামিয়ার শিক্ষাদর্শনের উল্লেখযোগ্য দিকগুলো হলো—

কুরআন-সুন্নাহর আলোকে জীবন গঠন।
বিশুদ্ধ আকিদা ও সহিহ আমলের চর্চা।
ইলম ও আমলের সমন্বয়।
আদব, আখলাক, তাকওয়া ও নৈতিক চরিত্র গঠন।
সততা, আমানতদারি ও দায়িত্ববোধের বিকাশ।
ইসলামের সঠিক শিক্ষা ও আদর্শ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার প্রস্তুতি।
সমাজ ও মানবতার কল্যাণে ভূমিকা রাখার মানসিকতা তৈরি।

৭. মাদরাসার বৈশিষ্ট্য

জামিয়া নেছারিয়া ইসলামিয়া মাদরাসা ও এতিমখানা মানসম্মত দ্বীনি শিক্ষা, শিক্ষার্থীদের মেধা ও যোগ্যতা বিকাশ এবং আদর্শ চরিত্র গঠনের লক্ষ্যে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।

ক.

অভিজ্ঞ ও যোগ্য শিক্ষকমণ্ডলী

দেশ-বিদেশের উচ্চতর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে সনদপ্রাপ্ত বিজ্ঞ ও অভিজ্ঞ শিক্ষকমণ্ডলীর মাধ্যমে পাঠদানের ব্যবস্থা।

খ.

বিশিষ্ট আলেম-উলামার তত্ত্বাবধান

দেশবরেণ্য শিক্ষাবিদ ও বুজুর্গ ওলামায়ে কেরামের সার্বিক তত্ত্বাবধান, পরামর্শ ও দিকনির্দেশনায় পরিচালিত হওয়ার প্রত্যয়।

গ.

শিক্ষার মানোন্নয়নে বিশেষ উদ্যোগ

শিক্ষার মান ক্রমাগত উন্নয়নের লক্ষ্যে সার্বক্ষণিক তদারকি, সাপ্তাহিক ও মাসিক পরীক্ষা, বক্তৃতা প্রশিক্ষণ, পাঠাগারের উদ্যোগে নিয়মিত বই-পুস্তক বিতরণ এবং বাংলা ও আরবি ত্রৈমাসিক দেয়ালিকা প্রকাশসহ সৃজনশীল বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ।

ঘ.

সমৃদ্ধ গ্রন্থাগার

শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা ও অধ্যয়নের সুযোগ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন বিষয়ের বিপুলসংখ্যক কিতাব ও বইসমৃদ্ধ গ্রন্থাগারের ব্যবস্থা।

ঙ.

জীবন গঠনমূলক অনুষ্ঠান

বুজুর্গ ওলামায়ে কেরামকে আমন্ত্রণের মাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে ইসলামী শিক্ষা, নৈতিকতা, আত্মশুদ্ধি ও জীবন গঠনমূলক অনুষ্ঠানমালার আয়োজন।

চ.

স্বাস্থ্যসম্মত খাবার

আবাসিক শিক্ষার্থীদের জন্য তিনবেলা স্বাস্থ্যসম্মত, উন্নতমানের ও রুচিকর খাবার পরিবেশনের ব্যবস্থা।

ছ.

নিজস্ব ভবনে পাঠদান ও আবাসন

মাদরাসার নিজস্ব ভবনে পাঠদান ও শিক্ষার্থীদের আবাসনের ব্যবস্থা।

জ.

নিরাপদ ও মনোরম পরিবেশ

নিরাপদ, সুরক্ষিত ও মনোরম পরিবেশে ইলমে দ্বীন শিক্ষার ব্যবস্থা এবং শিক্ষার্থীদের আদর্শ চরিত্র গঠনের উপযোগী পরিবেশ নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা।

৮. নিবন্ধন পরিচিতি

সরকারি ও বোর্ড অনুমোদন

জামিয়ার শিক্ষা কার্যক্রম ও এতিমখানার নিবন্ধন-সংক্রান্ত তথ্য নিচে তুলে ধরা হলো।

৮.১

আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি'আতিল কওমিয়া বাংলাদেশ

শিক্ষা বোর্ডআল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি'আতিল কওমিয়া বাংলাদেশ
নিবন্ধন নম্বর০০৬৮৫
৮.২

বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ

শিক্ষা বোর্ডবেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া—বাংলাদেশ কওমি মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড
নিবন্ধন নম্বর১/৭৪৩
৮.৩

এতিমখানার নিবন্ধন

নিবন্ধিত নামনেছারিয়া হাফিজিয়া এতিমখানা ও ইসলামিয়া মাদরাসা
নিবন্ধনের তারিখ০৯ নভেম্বর ১৯৭৬
নিবন্ধনকারী কর্তৃপক্ষসমাজসেবা অধিদপ্তর, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
নিবন্ধন নম্বরঢ-০৫০৪

৯. জামিয়ার বর্তমান কার্যক্রম

জামিয়ার দ্বীনি শিক্ষা কার্যক্রম, শিক্ষার্থীদের পাঠদান, আবাসন এবং এতিমখানার কার্যক্রম প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক।

শিক্ষার্থীদের জ্ঞানার্জন, নৈতিকতা, শৃঙ্খলা, বক্তৃতা প্রশিক্ষণ, পাঠাগার কার্যক্রম এবং সৃজনশীল চর্চার মাধ্যমে তাদের সামগ্রিক বিকাশে গুরুত্ব দেওয়া হয়।

জামিয়ার বিভিন্ন শিক্ষা বিভাগ, পাঠ্যক্রম, শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সংখ্যা এবং বিভাগভিত্তিক কার্যক্রমের বিস্তারিত বিবরণ ওয়েবসাইটের “শিক্ষা কার্যক্রম” মেনুতে পৃথকভাবে প্রকাশ করা হবে।

১০. আমাদের অঙ্গীকার

কুরআন-সুন্নাহর আলোকে শিক্ষার্থীদের ইলম, আমল ও উত্তম আখলাকে সমৃদ্ধ করে আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা এবং দ্বীনি শিক্ষার প্রসারে অবদান রাখাই জামিয়া নেছারিয়া ইসলামিয়া মাদরাসা ও এতিমখানার প্রত্যয়।

“আল্লাহ তাআলা জামিয়ার দ্বীনি খেদমত কবুল করুন, এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলের প্রচেষ্টায় বরকত দান করুন এবং প্রতিষ্ঠানটিকে দ্বীনি শিক্ষা ও মানবকল্যাণের উত্তম মাধ্যম হিসেবে কবুল করুন। আমিন।”

জামিয়া নেছারিয়া ইসলামিয়া মাদরাসা ও এতিমখানা — প্রতিষ্ঠিত: ১৯৬৯ খ্রিষ্টাব্দ | ১৩৭৬ বাংলা | ১৩৮৮ হিজরিযোগাযোগ: 01716296379